বং হান্ট: হালকা গরমের আমেজ কাটিয়ে ফের রাজ্যের জেলায় জেলায় কামড় বসাতে শুরু করেছে শীত। ভোর ও রাতের দিকে শীতল হাওয়া এবং কুয়াশায় জেরবার সাধারণ মানুষ। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—সব মিলিয়ে বাংলায় শুরু হয়েছে শীতের নতুন স্পেল। আগামী কয়েকদিন এই আবহাওয়া বজায় থাকবে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তবে এখনই কোথাও শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা নেই। আজ বৃহস্পতিবার কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া, জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া আজ
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকাল থেকেই কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। পশ্চিমের জেলাগুলি যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে শীত ও কুয়াশার প্রভাব বেশি থাকবে। উপকূলবর্তী জেলা পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও সকালের দিকে কুয়াশা দেখা যেতে পারে।
কুয়াশা ও তাপমাত্রার আপডেট
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের উপর ঘূর্ণাবর্ত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে। এর ফলে ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা তৈরি হচ্ছে। যদিও আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনে দক্ষিণবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা কম। সকাল ও রাতে ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া
উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট আরও বেশি। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এই জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।
উত্তরবঙ্গে কুয়াশার পরিস্থিতি
মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়ও শীতের সঙ্গে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কমতে পারে, তাই যান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
দেশের অন্যান্য রাজ্যে শীতের দাপট
শুধু বাংলা নয়, দেশের অন্যান্য অংশেও শীত জাঁকিয়ে বসেছে। আইএমডি সূত্রে জানা গিয়েছে, অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মণিপুরে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমেছে। আগামী দিনে উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যগুলিতে ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।
উপসংহার
সব মিলিয়ে বলা যায়, বাংলায় শীতের মরসুম ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করছে। আপাতত শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও ভোর ও রাতের ঠান্ডা এবং কুয়াশা আগামী কয়েকদিন সাধারণ মানুষের নিত্যসঙ্গী হতে চলেছে। তাই সকালে বেরোনোর সময় গরম পোশাক সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।













