DGCA প্রস্তাব: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট বাতিল-পরিবর্তনে অতিরিক্ত চার্জ হবে না | বিমানের রিফান্ড নিয়ম ২০২৫
বং হান্ট: ডিজিসিএ (DGCA) একটি নতুন প্রস্তাব এনেছে — এখন থেকে যাত্রীরা বুকিং করার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি টিকিট বাতিল বা বদল করেন, তাহলে ব্যবসায়িক অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না।
সংক্ষিপ্ত সারমর্ম (Quick summary)
বেসিক আইডিয়া খুব সহজ: যদি এই প্রস্তাব মান্য হয়, তাহলে অনলাইন বা এজেন্টের মাধ্যমেই টিকিট কেনা হলে প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় যাত্রীরা অতিরিক্ত কোনো ফি ছাড়াই টিকিট বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন। রিফান্ড প্রক্রিয়া বিমান সংস্থার দায়িত্ব হবে এবং তারা ২১ কর্মদিবসে রিফান্ড করতে বাধ্য থাকবে।
মূল পরিবর্তনগুলো (What’s changing)
- ৪৮ ঘণ্টার “Look In Option”: বুকিং করার পর পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা জুড়ে যাত্রীরা টিকিট বাতিল বা বদল করতে পারবেন অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া।
- ডিরেক্ট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা: যদি টিকিট সরাসরি বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয় এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোনো ত্রুটি ধরা পড়ে, তবে সংশোধন বা পরিবর্তনের জন্য চার্জ নেওয়া হবে না।
- রিফান্ড প্রক্রিয়া সময়সীমা: বিমান সংস্থাগুলোকে রিফান্ড কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ২১ কর্মদিবস দেওয়া হবে।
- রিভিউ ও মতামত: DGCA ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খসড়া CAR-এ স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছে।
এই নিয়ম সবার জন্য প্রযোজ্য হবে না — ব্যতিক্রমগুলো
কিছু ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। মূল ব্যতিক্রমগুলো নিচে দেওয়া হলো — সহজ ভাষায়:
- ডোমেস্টিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে: যদি উড়ানের তারিখ বুকিং থেকে মাত্র ৫ দিনের কম থাকে, তাহলে ৪৮ ঘণ্টার এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
- আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে: যদি ফ্লাইটের তারিখ বুকিং থেকে ১৫ দিনের কম থাকে, তাহলে সুবিধা মিলবে না।
চিকিৎসাগত জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে
যদি যাত্রীর বা যাত্রীর পরিবারের কারো অনুপস্থিতি বা চিকিত্সাগত জরুরি পরিস্থিতির জন্য টিকিট বাতিল করতে হয়, বিমান সংস্থা রিফান্ড দিতে পারে বা ক্লিয়ারক্রেডিট/ক্রেডিট শেল দিতে পারে—রিফান্ড অনুমোদন সংস্থা-নির্ভর হবে।
আপনি যাত্রী হলে কীভাবে প্রভাব পড়বে?
- টিকিট বুক করার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভুল ধরলে আর অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হবে না।
- এজেন্টের মাধ্যমে কেনা টিকিট হলেও বিমান সংস্থাই রিফান্ডের দায়িত্ব নেবে—আপনার রিফান্ড পেতে কোনো মধ্যস্থতাকারী দেরি করলে আপনি সরাসরি এয়ারলাইনের কাছে দাবি জানাতে পারবেন।
- রিফান্ড পেতে সর্বোচ্চ ২১ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে—এটাই নির্ধারিত সময়সীমা (যদি প্রস্তাবটি শেষ রূপ পায়)।
নোট: যদি আপনার ফ্লাইট নির্দিষ্ট সময়ের (৫ দিন বা ১৫ দিন) মধ্যে পড়ে, বা কোনো বিশেষ টার্গেটেড অপারেটরের শর্ত থাকে, তবে সেই ক্ষেত্রে উপরের সুবিধা প্রযোজ্য নাও হতে পারে। তাই টিকিট কনফার্মের সময় বেছে নেওয়ার আগে শর্তগুলো ভালো করে পড়ে নিন।
ছোট FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও সরল উত্তর
প্রশ্ন: ৪৮ ঘণ্টা কীভাবে গণনা হবে?
উত্তর: বুকিং কনফার্ম হওয়ার মুহূর্ত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা গণ্য হবে। এই সময়ের মধ্যে যেকোনো সময় আপনি বাতিল বা বদল করতে পারবেন দোকান/এজেন্ট-ভিত্তিক অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া—শর্তাধীন ব্যতিক্রমগুলো বাদে।
প্রশ্ন: রিফান্ড আসবে কবে?
উত্তর: DGCA প্রস্তাব অনুযায়ী বিমান সংস্থাগুলোকে রিফান্ড প্রক্রিয়া শেষ করতে ২১ কর্মদিবস দেওয়া হবে। এর পরে টাকা না গেলে আপনি ভোগান্তি নিয়ে অভিযোগ করতে পারবেন।
প্রশ্ন: এজেন্টের মাধ্যমে টিকিট কিনলে সুবিধা পাবো?
উত্তর: হ্যাঁ — প্রস্তাবটি বলছে এজেন্টরা বিমান সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করে; সেইজন্য রিফান্ডের দায় বিমান সংস্থার উপর থাকবে। তাই এজেন্টের মাধ্যমে কেনা হলে ও সুবিধা পাওয়ার কথা।
স্টেকহোল্ডার সময়সীমা ও এরপরের ধাপ
DGCA এই খসড়া CAR (Civil Aviation Requirement) সম্পর্কিত মতামত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চেয়েছে। স্টেকহোল্ডারদের (বিমান সংস্থা, ট্র্যাভেল এজেন্ট, যাত্রী গ্রুপ ইত্যাদি) মতামত নেয়ার পর নিয়ন্ত্রক চূড়ান্ত নিয়ম জারি করবে—তারই ভিত্তিতে এটি কার্যকর হবে।
SEO টিপস (আপনার পোস্টের জন্য)
- পোস্টের শিরোনাম ও মেটা-বর্ণনা (meta description) সোজাসাপ্টা রাখুন — গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড: “DGCA”, “টিকিট বাতিল”, “রিফান্ড”, “৪৮ ঘণ্টা” ।
- ছবি থাকলে ALT ট্যাগে “DGCA ticket refund 2025” অথবা বাংলায় “DGCA টিকিট রিফান্ড ২০২৫” ব্যবহার করুন।
- ইউআরএল স্লাগ সংক্ষিপ্ত ও কী-ওয়ার্ড-ভিত্তিক রাখুন: /dgca-ticket-refund-2025
উপসংহার
DGCA-এর প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ছোট ভুল বা পরিবর্তনের জন্য যাত্রীদের গুণতে হবে না অতিরিক্ত টাকা — এটি যাত্রীদের জন্য ভালো খবর। তা হলেও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে (ডোমেস্টিক ৫ দিন, আন্তর্জাতিক ১৫ দিন) এবং রিফান্ড পেতে বিমান সংস্থা ২১ কর্মদিবস নিতে পারবে। স্টেকহোল্ডারদের মতামত নেওয়ার পর নিয়ম চূড়ান্ত করা হবে — তাই এই খবরে আপডেট রাখতে মনে রাখুন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আলোচনা চলবে।












